কিন্তু উদ্ভাবন প্রক্রিয়া কি নতুন কিছু ?
নাহ , মানব সভ্যতার শুরু থেকেই নানান জিনিস উদ্ভাবিত হচ্ছে......
কিছুটা তিক্ত হলেও সত্য এই যে , এই উদ্ভাবন প্রক্রিয়ার সবচেয়ে বড় অংশটি জুড়েই রয়েছে ইহুদীদের নাম নাম ..................
তাই বলে কি আমাদের মুসলিম উদ্ভাবকেরা পিছিয়ে ছিলেন??
অবশ্যই নাহ, সংখ্যায় কিছুটা কম হলেও মুসলিম বিজ্ঞানিরা এমন সব আবিষ্কার করেছেন যা মানব সভ্যতার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত কার্যকরী ...
ইবনে সিনার হৃদযন্ত্রে রক্ত চলাচল আবিষ্কার , নাসিরুদ্দিন তুসির মিল্কিওয়ের গঠন শনাক্তকারন, আল-ফরগানির পৃথিবীর ব্যাস নির্ণয়কারন , পৃথিবীর প্রথম নির্ভুল মানচিত্র অঙ্কনকারী আল-ইদ্রিসী , প্ল্যানেটারি কম্পিউটার আবিষ্কারক আল-কাশি সহ মুসলিম উদ্ভাবনকারীদের অনেক উদ্ভাবনের কথা আমাদের সবারই জানা আছে..................
তবে , আজ এমন কয়েকটি উদ্ভাবনের কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরবো . যেসব উদ্ভাবনগুলোর উদ্ভাবকেরা মুসলিম হলেও অধিকাংশ মানুষেই তা জানে নাহচলুন , তবে শুরু করা যাক...........................
![]() |
| Worlds First University : University Of Karueein |
*UNIVERSITY[বিশ্ববিদ্যালয়]
এক জরিপে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসা করা হয়ে ছিলো যে , পৃথিবীর সর্ব প্রথম বিশ্ববিদ্দালয়ের নাম কি ??
অনেকেই বলছেন অক্সফোর্ডের নাম , কেউ বলেছেন ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি , অনেকে আবার ইউনিভার্সিটি অফ বেলোনিয়ার নামও বলেছেন ।
তবে এই তিনটির একটিও পৃথিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় ছিলো নাহ...............
পৃথিবীর সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে আল কারাওইন [University Of Karueein ],
এক জরিপে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসা করা হয়ে ছিলো যে , পৃথিবীর সর্ব প্রথম বিশ্ববিদ্দালয়ের নাম কি ??
অনেকেই বলছেন অক্সফোর্ডের নাম , কেউ বলেছেন ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি , অনেকে আবার ইউনিভার্সিটি অফ বেলোনিয়ার নামও বলেছেন ।
তবে এই তিনটির একটিও পৃথিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় ছিলো নাহ...............
পৃথিবীর সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে আল কারাওইন [University Of Karueein ],
![]() |
| ফাতিমা আল ফিহরি |
৮৫৯ সালে মরক্কোতে নামের এক মুসলিম নারী প্রতিষ্ঠা করেন পৃথিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় আল কারাউইন . মধ্যযুগে মুসলিম বিশ্ব ও ইউরোপের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও জ্ঞান বিনিময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এটি ছিল মুসলিম বিশ্বে নেতৃত্বদানকারী অন্যতম একটি আধ্যাত্মিক ও শিক্ষাবিষয়ক কেন্দ্র। এটি মূলত ইসলাম শিক্ষাবিষয়ক ধর্মভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়। ফাতিমা আল ফিহরি নামের এক মুসলিম নারী বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। মানচিত্রকার মোহাম্মদ আল ইদ্রিসী এখানকার ছাত্র ছিলেন, যার মানচিত্র রেনেসাঁর সময় ইউরোপিয়ানদের গবেষণা করতে সাহায্য করেছিল। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপুলসংখ্যক পণ্ডিত ও বুদ্ধিজীবী পড়ালেখা করেছিলেন যাদের কারণে মুসলিম ও ইহুদি বিশ্ব ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছিল।
কারাওইনে অন্যান্য বিষয়ের সাথে পড়ানো হতো কোরআন ও ফিকহ, ব্যাকরণ, যুক্তিবিদ্যা, চিকিৎসাবিদ্যা, গণিত, রসায়ন, ইতিহাস, ভূগোল এবং সঙ্গীতবিদ্যা। ১৯৬৩ সাল থেকে কারাওইন বিশ্ববিদ্যালয় মরক্কোর আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় পদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত হয়।
![]() |
| Natural Selection Theory |
*Natural Selection Theory [বিবর্তনবাদের তত্ত্ব]
আধুনিক বিজ্ঞানের যতগুলো গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার তার অন্যতম ব্রিটিশ বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইনের বিবর্তনবাদের তত্ত্ব .অন দ্য অরিজিন অফ স্পেশিস নামে চার্লস ডারউইনের বইটি প্রকাশিত হয় ১৮৫৯ সালে। তার এই গ্রন্থে তিনি বিবর্তনবাদকে সংজ্ঞায়িত করতে গিয়ে বলেছেন, এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যাতে কোনো প্রাণী ক্রমাগত অভিযোজনের ফলে আপন পরিবেশের জন্যে বিশেষায়িত হতে হতে এক সময় নতুন একটি প্রাণীতে রূপান্তরিত হয়
আমরা মনে করি যে , তিনিই সবার প্রথমে বিবর্তনবাদের তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করেছেন . আমাদের আধিকাংশের এই ধারনাটিও ভুল ,চার্লস ডারউইনের আগে ইসলামিক বিশ্বেও বিবর্তনবাদ তত্ত্বের একজন প্রবক্তা ছিলেন - এই দার্শনিকের নাম ছিল আল-জাহিজ। যে পদ্ধতিতে এই পরিবর্তন ঘটে তিনি তার নাম দিয়েছিলেন প্রাকৃতিক নির্বাচন।
![]() |
| চার্লস ডারউইন |
![]() |
| আবু উসমান আমর বাহার আলকানানি আল-বাসরি[আল জাহিজ] |
তার জন্ম হয়েছিল ৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে, দক্ষিণ ইরাকের বাসরা শহরে, মুতাজিলাহ আন্দোলনের সময়। এসময় ধর্মতাত্ত্বিক কিছু মতবাদ জনপ্রিয় হচ্ছিল যেখানে মানুষের যুক্তির চর্চার উপর জোর দেওয়া হচ্ছিল।
চীনা বনিকেরা ততদিনে ইরাকে কাগজের ব্যবসা শুরু করে দিয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন তত্ত্ব লিখিত আকারে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলো।
তরুণ আল-জাহিজ তখন নানা বিষয়ে লেখালেখি করতে শুরু করেন। যেসব বিষয়ে তার খুব বেশি আগ্রহী ছিল সেগুলোর মধ্যে ছিল বিজ্ঞান, ভূগোল, দর্শন, আরবি ব্যাকরণ এবং সাহিত্য।
ধারণা করা হয় তার জীবদ্দশাতেই তিনি দুশোর মতো বই প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু তার মাত্র এক তৃতীয়াংশ এই আধুনিক কাল পর্যন্তও টিকে রয়েছে।
![]() |
| Alcohol Spirits[অ্যালকোহল স্পিরিট] |
*Alcohol Spirits[অ্যালকোহল স্পিরিট]
এটি একধরনের রাসায়নিক যা শিল্পজাত দ্রব্য উৎপাদনকাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়. বাণিজ্যিকভাবে এরূপ অ্যালকোহলকে মেথিলেটেড স্পিরিট, ডি ন্যাচারড অ্যালকোহল বা অসেবনীয় অ্যালকোহল নামে ডাকা হয় ......
মুসলিম রসায়নবিদ জাবির ইবনে হাইয়ান [ Jabir Ibn Hayyan ] এর আবিষ্কারক.........
অনেকে হয়তো বলবেন যে , ইসলামে সকল প্রকার নেশা জাতীয় দ্রব্য হারাম , আর একজন মুসলিমই একধরনের অ্যালকোহল আবিষ্কার করেছেন ......
তাদের জন্য বলছি , অ্যালকোহল স্পিরিট নামে অ্যালকোহল হলেও এটা পান করা যায় নাহ , কারন এতে থাকে ৯৯% অ্যালকোহল . যা পান করার সাথে সাথেই মানুষের মৃত্যু ঘটবে. এটি শুধু বাণিজ্যিক কাজের জন্যই তৈরি করা হয়েছে............
এবার চলুন , জাবির ইবনে হাইয়ান সম্পর্কে কিছু জানা যাক......
আবু মুসা জাবির ইবন হাইয়ান (জন্ম:৭২১ - মৃত্যু:৮১৫ খ্রিস্টাব্দ)[৪] বিখ্যাত শিয়া মুসলিম বহুশাস্ত্রজ্ঞ। পাশ্চাত্য বিশ্বে তিনি জেবার নামে পরিচিত যা তার নামের লাতিন সংস্করণ। তিনি ছিলেন একাধারে রসায়নবিদ ও আলকেমিবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও জ্যোতিষী, প্রকৌশলী, দার্শনিক, পদার্থবিজ্ঞানী এবং ঔষধ বিশারদ ও চিকিৎসক। তার প্রকৃত জাতীয়তা সঠিকভাবে জানা যায়নি। অনেকে বলেন তিনি আরব, অনেকে আবার বলেন তিনি পারস্যের নাগরিক ছিলেন। তাকে "রসায়নের জনক" হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। জাবির ইবন হাইয়ান আলকেমিতে পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির গোড়াপত্তন করেছিলেন
*আকাশ যানের ধারনা
আকাশ যানের কথা বলতেই সবার মনে আসবে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির কথা .তবে তিনিই প্রথন ব্যাক্তি নন যিনি আকাশ যানের কথা ভেবেছিলেন .তারও ৭০০ বছর আগে প্রথম সফলভাবে আকাশে ডানা মেলেন আব্বাস ইবনে ফিরনাস , সেটি ছিলো ৯ম শতকে।
সম্ভবত ইবনে ফিরনাসের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই পরের শতকে ওড়ার চেষ্টা করেছিলেন আল জহুরী। ১০০৭ খ্রিস্টাব্দে আল জহুরী তুর্কিস্থানের উলু মসজিদের ১,০০২ ফুট উঁচু মিনার হতে ঝাঁপিয়ে পড়ে ওড়ার প্রচেষ্টা চালান। কিন্তু তার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
পশ্চিমে একাদশ শতকে ইংল্যান্ডের ইলমার অব মালমেসবুরি প্রায় ১,০০০ ফুট উচু থেকে গ্লাইডিংয়ের মাধ্যমে ওড়ার প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। তিনি আংশিক সফলতা পেলেও দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন।
ইতিহাস ঘেটে জানা যায় , আধুনিক সাবান এর আবিষ্কারক মুসলিম বিজ্ঞানী আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে জাকারিয়া আল-রাজি . তিনি সাবান তৈরির রাসায়নিক পদ্ধতি আবিস্কারের আগে পশুর চামড়া ব্যাবহার করে সাবান তৈরি করা হতো .........
তার নামের আল রাযি অংশটি এসেছে তার জন্মস্থল থেকে। এর অর্থ ‘রে এর অধিবাসী’। ইউরোপে অবশ্য তিনি আল রাজেস নামে পরিচিত।
চিকিৎবিজ্ঞানে আল রাযির অবদান অবিস্মরণীয়। চিকিৎসাশাস্ত্রে মুসলমান বিজ্ঞানীদের অবদানের কথা বলতে গেলে প্রথমেই তার কথা বলতে হয়। তবে তিনি শুধু চিকিৎসকই ছিলেন না, ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, রসায়নবিদ এবং দার্শনিক।
আল রাযি;
আল রাযি প্রথম জীবনে সঙ্গীত ও শিল্পকলায় আগ্রহী ছিলেন। তারপর রসায়ন, জ্যোতির্বিদ্যা, দর্শন, গণিত প্রভৃতি বিষয়ের জ্ঞানার্জন করেন। তিনি ঠিক কখন চিকিৎসাবিদ্যার প্রতি আকর্ষণ অনুভব করেছিলেন, তা সঠিক জানা যায় না। তবে ধারণা করা হয়, তার বয়স যখন ত্রিশ বা চল্লিশের কোঠায় ছিল তখন তিনি মেডিসিনে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। চিকিৎসাবিদ্যার পাঠ নিতে তখন তিনি বাগদাদে চলে যান এবং সেখানে চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনা করেন। তারপর স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করা শুরু করেন। এরপর রে এর গভর্নর মানসুর ইবনে ইসহাক তাকে রে শহরে ফিরে আসার আমন্ত্রণ জানান এবং রে হাসপাতালের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন। আল রাযি মানসুর ইবনে ইসহাককে দুটি বই উৎসর্গ করেন- ‘দ্য স্পিরিচুয়্যাল ফিজিক’ এবং ‘কিতাব আল- মানসুরী’। নতুন চিকিৎসক হিসেবে বেশ ভালই সুনাম কুড়িয়েছিলেন আল রাযি। ফলে বাগদাদ থেকে আব্বাসীয় খলিফা আল মু’তাদিদ তাকে ডেকে পাঠান এবং নতুন স্থাপিত একটি হাসপাতালের প্রধানের দায়িত্ব প্রদান করেন। আল মু’তাদিদের পুত্রের শাসনামলে আল রাযি আব্বাসীয় খেলাফতের সবচেয়ে বড় হাসপাতাল নির্মাণের দায়িত্ব পান। হাসপাতাল কোথায় নির্মাণ করা হবে, সেই স্থান নির্বাচন করতে তিনি এক অভিনব প্রক্রিয়ার সাহায্য নেন। পুরো শহরজুড়ে নানা জায়গায় তিনি কিছু মাংসের টুকরা রেখে আসেন। যে স্থানের মাংস সবচেয়ে পরে পঁচতে শুরু করেছিল সেই স্থানটি হাসপাতাল নির্মাণের জন্য নির্ধারণ করেন তিনি। শিক্ষক হিসেবেও আল রাযির খ্যাতি ও গ্রহণযোগ্যতা ছিল। তার লেকচারের আকর্ষণে দূর-দূরান্ত থেকে অনেক শিক্ষার্থী এসে তার ক্লাসে ভিড় জমাত। মানুষ হিসেবে আল রাযি মহৎ এবং উদারমনা ছিলেন। তিনি দরিদ্র রোগীদের থেকে টাকা নিতেন না।তিনিই প্রথম চিকিৎসক, যিনি হাম এবং গুটি বসন্তকে আলাদা রোগ হিসেবে চিহ্নিত করেন। এর আগে দুটো রোগকে একই ভাবা হতো। হাম এবং গুটিবসন্ত সম্পর্কিত তার পর্যবেক্ষণ স্থান পেয়েছে তার ‘আল জুদারী ওয়াল হাসবাহ’ গ্রন্থে। আল রাযি রচিত আরেকটি যুগান্তকারী গ্রন্থ হচ্ছে ‘Doubts about Galen’। এই বইটিতে তিনি গ্রীক চিকিৎসক গ্যালেনের অনেক ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেন। তার পর্যবেক্ষণের সাথে গ্যালেনের অনেক দাবীই সাংঘর্ষিক ছিল। এমনকি গ্যালেন জ্বরের যে লক্ষণের কথা উল্লেখ করে গেছেন, আল রাযি জ্বরের রোগীর সাথে তারও কোনো মিল পাননি। আল রাযির ‘The Diseases of Children’ বইটি পেডিয়াট্রিকসকে চিকিৎসাবিদ্যার স্বতন্ত্র একটি শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। আল রাযী চিকিৎসাক্ষেত্রে নৈতিকতা নিয়েও কাজ করেছেন। তিনি সেসময়ে শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ভুয়া ডাক্তারদের দমন করেন। একইসাথে তিনি এটাও বলে গেছেন যে, উচ্চশিক্ষিত এবং অভিজ্ঞ কোনো চিকিৎসকের কাছেও সব রোগের নিরাময় নাও থাকতে পারে, এটা এক কথায় অসম্ভব। তবে তিনি চিকিৎসকদের আধুনিক জ্ঞান এবং নতুন নতুন তথ্যে সমৃদ্ধ হতে বলেছেন। তিনি গরীব, অসহায় লোকজন, মুসাফিরদের জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা সংক্রান্ত পুস্তিকা রচনা করেন, যাতে করে তারা ডাক্তার কাছে না থাকলেও নিজেদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারে
আহা !! শেষের দিকে এসে হয়তো একটু বেশিই লিখে ফেললাম ...............
তাই,আজ আর নয় . এখন থেকে প্রতিদিনই এমন সব লেখা নিয়ে আসবো আপনাদের জন্য......
যদি আমার লেখা ভাল লেগে থাকে , তাহলে প্রতিদিন আমার ব্লগ ভিসিট করে আমার সাথেই থাকুন ।
আর যদি আমার লেখায় কোন কিছু খারাপ লেগে থাকে ,তাহলে জানান কমেন্ট বক্সে বা আমার ফেসবুক প্রোফাইলে........................











5 Comments
Nice
ReplyDeleteThanks
DeleteInformative
ReplyDeleteThanks My Dear Visitors ........ Stay Connect with me
DeleteWow....Very Nice Post
ReplyDelete